Warning: Cannot modify header information - headers already sent by (output started at /var/sites/f/friendsblog.net/public_html/index.php:43) in /var/sites/f/friendsblog.net/public_html/wp-content/plugins/wp-super-cache/wp-cache-phase2.php on line 58
উট নিয়ে বিস্ময়কর তথ্য জানুন! - Friendsblog.net

উট নিয়ে বিস্ময়কর তথ্য জানুন!

Loading...

camel
আমরা জানি উটকে মরুভূমির জাহাজ বলা হয়। আরব মরুভুমির আদি বাহন উট। ৫শত পাউন্ড বোঝা নিয়ে একটি উট স্বাচ্ছন্দ্যে চলতে পারে মরুভূমির ভিতর দিয়ে। সে অবস্থায় তারা পানি এবং খাবার ছাড়াই অনেকদিন ধরে চলতে পারে। ওজনে এরা ৩শ থেকে ৬শ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। ৪০-৫০ বছর পর্যন্ত এরা বাঁচে।
2ed328d290695c6ab6438bc8c3bbe471
ব্যাকট্রেন ও ড্রমেডারি এই দুই ধরনের উট। যাদের পিঠে দুইটি কুঁজ থাকে তাদেরকে বলে ব্যাকট্রেন উট। এককুঁজ বিশিষ্ট উটকে বলে ড্রমেডারি। কুঁজে জমে থাকে চর্বি জাতীয় পদার্থ। খাবার হজম হওয়ার সময় এক গ্রাম চর্বি গলে এক গ্রাম পানি বের হয়। যখন খাবার ও পানির অভাব দেখা দেয় তখন কুঁজে সঞ্চয় করে রাখা চর্বি থেকে তাদের খাদ্যের অভাব পুরণ হয়ে একসময় কুঁজ শুকিয়ে যায়। পর্যাপ্ত পানি পান করার পর তাদের কুঁজ আবার বড় হয়।
মাত্র ১৩ মিনিট সময়ের মধ্যে এরা ১১৩ লিটার পানি পান করতে পারে। ঘণ্টায় ২৫ মাইল বেগে এরা দৌঁড়ায় তবে ৪০ মাইল পর্যন্ত এরা দৌঁড়তে সক্ষম। ছোট ছোট ঘাস, লতাপাতা এরা খায়।
খিদে পেলে চামড়ার জুতো পর্যন্ত চিবিয়ে খেয়ে ফেলে। উটের দেহে ডিমের মতো বিশেষ এক ধরনের লাল রক্ত কণিকা থাকে যার সাহায্যে পানি ছাড়াই এরা শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত কণিকা পৌঁছে দেয়। এর সুবাদে উট পানি ও খাবার ছাড়া একটানা ছয় মাস পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। –
Loading...